/ শিক্ষা

ভোট গণনায় বিলম্ব, চূড়ান্ত ফলের ধারেকাছেও নেই নির্বাচন কমিশন

...

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের নাটকীয়তা যেন শেষ হচ্ছে না। ভোটগ্রহণে বিলম্বের পর বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টা থেকে গণনা শুরু হয়। কিন্তু পরদিন শুক্রবার (১২ সেপ্টেম্বর) দুপুরে পেরিয়ে ১৮ ঘণ্টার কর্মযজ্ঞেও চূড়ান্ত ফলাফলের ধারেকাছে পৌঁছাতে পারেনি নির্বাচন কমিশন।দুপুর ১২টায় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি সদস্য রেজওয়ান করিম স্নিগ্ধা জানান, জুমার নামাজের আগেই ২১টি হল সংসদের ভোট গণনা শেষ হয়ে যেত। এরপরও ধরা হতো কেন্দ্রীয় সংসদের ভোট গণনা। কিন্তু একজন পোলিং কর্মকর্তার মৃত্যুর ঘটনায় ১৮টি হলের ভোট গণনা কাজ কর‍তে পেরেছেন তারা। নির্বাচন কমিশনের সদস্য ও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক রাশিদুল আলম জানান, প্রথমে ওএমআর দিয়ে গণনার কথা ছিল। নানা জটিলতায় সনাতন পদ্ধতিতে খুবই সুক্ষ্মভাবে ভোট গণনার কাজ চলছে। তাই নির্ভুল ফলাফলের জন্য সময় বেশি লাগছে। দীর্ঘ ৩৩ বছর পর গত বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) অনুষ্ঠিত হয় ১০ম জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) নির্বাচন। একই দিনে বিশ্ববিদ্যালয়ের ২১টি আবাসিক হলের সংসদ নির্বাচনও হয়। আরও পড়ুন: ভুল সিদ্ধান্তের কারণে শিক্ষিকাকে হারিয়েছি, অভিযোগ শিবিরের ভিপি প্রার্থীর সকাল ৯টায় শুরু হওয়া ভোটগ্রহণ চলে ৫টা পর্যন্ত। তবে অনিয়ম, অস্বচ্ছতা ও পক্ষপাতের অভিযোগ তুলে বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে জাকসু নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেয় জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের প্যানেল। একই সময়ে ছাত্র ইউনিয়নের (একাংশ) প্যানেল ‘সম্প্রীতির ঐক্য’ নির্বাচন কমিশনের প্রতি অনাস্থা জানায়। বিভিন্ন প্যানেলের প্রার্থীরাও কারচুপি ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ করেন। তবে শিক্ষার্থীদের অনেকেই এসব অভিযোগকে রাজনৈতিক দোষারোপ হিসেবে দেখছেন এবং শেষ সময় পর্যন্ত ভোটগ্রহণে অংশ নিয়েছেন। এবারের জাকসু নির্বাচনে মোট ভোটার ১১ হাজার ৭৪৭ জন। বিভিন্ন পদে মোট ১৭৮ জন প্রার্থী চূড়ান্তভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। এর মধ্যে সহ-সভাপতি (ভিপি) পদে ৯ জন, সাধারণ সম্পাদক (জিএস) পদে ৯ জন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (নারী) পদে ৬ জন এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক (পুরুষ) পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ১০ জন।